ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস

প্রশ্নঃ  আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ভালবাসা দিবস’ উদযাপন অনেকের (বিশেষ করে ছাত্রীদের) মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে; যা খ্রিষ্টানদের একটি উৎসব। তখন প্রত্যেকের বস্ত্র হয় সম্পূর্ন লাল রঙের— পোশাক-জুতা সবই; আর তারা পরস্পরের নিকট লাল ফুল বিনিময় করে।শ্রদ্ধেয় শাইখের নিকট এ-জাতীয় উৎসব উদযাপন করার বিধান বর্ণনা করার জন্য অনুরোধ রইল। তা-ছাড়া এ-রূপ বিষয়ে মুসলিমদের প্রতি আপনাদের দিকনির্দেশনা কী? আল্লাহ আপনাদের হেফাযত ও রক্ষা করুন॥

* উত্তর *

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম

ওয়া ‘আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

কয়েকটি কারণে ‘ভালবাসা দিবস’ উদযাপন জায়েয নয়:—

প্রথমত : এটি একটি নব-উদ্ভাবিত বিদ‘আতী দিবস, শরীয়তে যার কোনো ভিত্তি নেই।

দ্বিতীয়ত: এটি অনৈতিক-প্রেম পরিণতির দিকে মানুষকে ধাবিত করে।

তৃতীয়ত: এর কারণে সালাফে সালেহীনের পথ-পদ্ধতির বিরোধী এরূপ অর্থহীন বাজে কাজে মানুষের মন-মগজ ব্যস্ত করার প্রবণতা তৈরি হয়।

তাই এ-দিনে দিবস উদযাপনের কোনো কিছু প্রকাশ করা কখনও বৈধ নয়; চাই তা খাদ্য-পানীয় গ্রহণ, পোশাক-আশাক পরিধান, পরস্পর উপহার বিনিময় কিংবা অন্য কিছুর মাধ্যমেই হোক না কেন।

আর প্রত্যেক মুসলিমের উচিত নিজ দীন নিয়ে গর্বিত হওয়া এবং অনুকরণপ্রিয় না হওয়া: কেউ করতে দেখলেই সেও করবে, কেউ আহ্বান করলেই তাতে সাড়া দিবে, এমনটি যেন না হয়।

আল্লাহ্‌র নিকট দু‘আ করি, তিনি যেন প্রত্যেক মুসলিমকে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য যাবতীয় ফিতনা থেকে হেফাযত করেন; আর আমাদেরকে তিনি তাঁর অভিভাবকত্ব ও তাওফিক প্রদান করে ধন্য করেন।

লিখেছেন : মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন

অনুবাদ : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

আপনার মূল্যবান ভোট দিন।

0

10

User Rating: 4.68 ( 2 votes)

About সরল পথ

মিস করবেন না

দরদী বন্ধু | যে গল্পে হৃদয় গলে

ইরাকের এক সম্পদশালী লোক। নাম খোযায়মা বিন বিশর। তাঁর ছিল প্রচুর ধন-দৌলত ও বিত্ত-বৈভব। কিন্তু …

One comment

  1. Khairuzzaman Taifur

    আপনাদের পোস্টগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ফেৎনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *