কেন আমরা রাসূল (সা:) এর জীবনী পড়ব?

রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমগ্র মানব জাতির জন্য পথ প্রদর্শক। তিনিই ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তিত্ব যাকে সর্বক্ষেত্রে অনুসরণ করা উচিত,আল্লাহ্ বলেছেনঃ (হে মুসলমানরা), তোমাদের জন্য অবশ্যই আল্লাহর রাসূলের জীবনীতে অনুকরণযোগ্য উত্তম আদর্শ রয়েছে, (আদর্শ রয়েছে) এমন প্রতিটি ব্যক্তির জন্যে যে আল্লাহর সাক্ষাৎ পেতে আগ্রহী এবং যে পরকালের (মুক্তির) আশা করে, (সর্বোপরি) সে বেশি পরিমাণে আল্লাহকে স্মরণ করে (সূরা আহযাব:২১), বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক গুলো ভিজিট করুন।

 

প্রথম পর্ব-তিনি ইসলামের বাস্তব প্রতিচ্ছবি

দ্বিতীয় পর্ব-রাসূল (সাঃ)-আপনার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ

তৃতীয় পর্ব-রাসূল (সাঃ) এর জীবনীর বৈশিষ্ট্যাবলী

চতুর্থ পর্ব-মুহাম্মাদ (সাঃ), সবদিক থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ

পঞ্চম পর্ব-রাসূল (সাঃ) জীবনীর শিক্ষা

ষষ্ঠ পর্ব- রাসূল (সা:) এর জীবনী বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়েছে

 

রচনায়: ইয়াহ্ইয়া ইব্রাহিম এল-ইয়াহ্‌ইয়া

আয়েশা (রাঃ) ও মুহাম্মাদ (সঃ)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্তরে আয়েশা রাদিআল্লাহ আনহার যে মহত্ব ও মর্যাদা ছিল, তা অন্য কোন স্ত্রীর জন্য ছিল না। তার প্রতি এ মহব্বত তিনি কারো থেকে গোপন পর্যন্ত করতে পারেননি, তিনি তাকে এমন ভালবাসতেন যে, আয়েশা যেখান থেকে পানি পান করত, তিনিও সেখান থেকে পানি পান করতেন, আয়েশা যেখান থেকে খেত, তিনিও সেখান থেকে খেতেন। অষ্টম হিজরিতে ইসলাম গ্রহণকারী আমর ইব্নুল আস রাদিআল্লাহু আনহু তাকে জিজ্ঞাসা করেন :

হে আল্লাহর রাসূল, আপনার নিকট সবচেয়ে প্রিয় কে ? তিনি বললেন : আয়েশাসে বলল : পুরুষদের থেকে ? তিনি বললেন : তার পিতা {বুখারি ও মুসলিম}

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে খেলা-ধুলা, হাসি-ঠাট্টা ইত্যাদিতে অংশ গ্রহণ করতেন। কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে দৌড় প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেন।

আয়েশা রাদিআল্লাহ আনহা আরো বর্ণনা করেন, যার দ্বারা তার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্নেহ, মমতা ও আদর-সোহাগের প্রকাশ পায়, তিনি বলেন :

আল্লাহর শপথ, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি আমার ঘরের দরজায় দাঁড়াতেন, হাবশিরা যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে খেলা-ধুলা করত, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার চাদর দিয়ে ঢেকে নিতেন, যেন আমি তাদের খেলা উপভোগ করি তার কাঁধ ও কানের মধ্য দিয়ে। অতঃপর তিনি আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতেন, যতক্ষণ না আমিই প্রস্থান করতাম {আহমদ}

Read more: আয়েশা (রাঃ) ও মুহাম্মাদ (সঃ)

রাসুলুল্লাহ (সঃ) কথাবার্তার স্বরুপ.


নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত সুন্দর কথোপকথনকারী ও সুমিষ্ট ছিলেন।

হযরত রাফে ইবন খাদীজ (রা) হতে বর্ণিত, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, আমি(বাকপটুত্বে ও ভাষার অলংকারে) সবচেয়ে বেশি ফসীহ ও বলীগ। (নাসাঈ ও হাকেম)

হযরত বুরাইদা(রা) থেকে বর্ণিত, বেহেশতীগণ বেহেশতে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায়(আরবীতে) কথাবার্তা বলবে। (আবুল হাসান ইবন দ্বাহকাক, শামায়েলে)

হযরত ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অল্প কথা বলতেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা এত বিন্যাসের সাথে হত, যেমন মুক্তার মালা। (হাকেম)

হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা) বলেন, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের ন্যায় অধিক কথা বলতেন না
(
তিবরানী)

Read more: রাসুলুল্লাহ (সঃ) কথাবার্তার স্বরুপ.

Subcategories