‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ –প্রতারণার বাজারে চালু আইটেম

ধর্ম যার, উৎসবও তার

মুসলমানের ধর্ম ও আদর্শ হচ্ছে ইসলাম। এক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও সেক্যুলার হওয়ার কোনো অবকাশ নেই। আমাদের দেশের সেক্যুলারিস্টদের কোনো নীতি নেই। তারা যা বলেন তা করেন না, যা করেন তা বলেন না। সেক্যুলারিজমের মূল কথাই হলো ধর্মহীনতা বা কোনো ধরনের ধর্মবিশ্বাস না থাকা। কিন্তু আমাদের দেশে একদল সেক্যুলার আছেন যাদের কর্মকাণ্ডের দিকে দৃষ্টিপাত করলে বিভ্রান্ত হতে হবে। সেক্যুলারিজমের অর্থ ধর্মহীনতাহলেও এরা প্রচার করে ধর্মনিরপেক্ষতা

Read more: ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ –প্রতারণার বাজারে চালু আইটেম

২৫ টি প্রচলিত দিবস এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি



২৫ টি প্রচলিত দিবস এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি- লেখাটি ডাউনলোড করুন



১ মুখে ভাত :
অন্নপ্রাশনের অনুকরণে বহু নামধারী মুসলিম পরিবারও নিজেদের ছেলে-মেয়েদের মুখে প্রথম ভাত দেয়ার জন্য জাঁকজমক অনুষ্ঠান করে থাকে। আয়োজন থাকে নানা ধরনের খাবারের। নির্দিষ্ট আচার পালন করে উপস্থিত সকলে একে একে শিশুর মুখে প্রথম ভাত তুলে দেয় এবং সে সাথে সমালোচনা করা হয়। এই অবসরে অনেকে প্রচলিত মীলাদও পড়িয়ে থাকে। সচেতন মুসলিম মাত্রই বুঝতে পারবেন যে, এটি বিজাতির অনুকরণে একটি জঘন্য বিদআত।

২ জন্মদিন : শিশুর জন্মদিন (হ্যাপি বার্থ ডে) পালন করা এবং সেদিনে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব মিলিত হয়ে কোনো উৎসব উদযাপন করা, সেদিনে শিমু (বা বুড়ো) কে বিশেষ দুআ, সালাম বা উপহার পেশ করা, বয়স অনুসারে বছর গুনতি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে তা ফুঁ দিয়ে নিভানো। অতঃপর কেক কেটে খাওয়া প্রভৃতি বিধর্মীয় প্রথা, মুসলমানদের জন্য তা বৈধ নয়। বৈধ নয় এ উপলক্ষ্যে দাওয়াতে অংশগ্রহণ করাও। বৈধ নয় সে উপলক্ষ্যে এ শিশুকে দুআ, মুবারকবাদ ও উপহার দেয়া। (ফাতাহওয়া ইসলমিয়্যাহ ১/৮৭, ১১৫, মাজমূউ ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন ২/৩০২)

Read more: ২৫ টি প্রচলিত দিবস এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

রজব সংক্রান্ত প্রচলিত হাদিস

 

রজব সংক্রান্ত প্রচলিত হাদিসগুলো দুর্বল ও ভিত্তিহীন

১. রজবের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসের ব্যাপারে ইবনে হাজার রহ. এর বক্তব্য মূলনীতির ন্যায়।

ইবনে হাজার রহ. বলেন, রজব মাসের ফজিলত, রজব মাসের রোজার ফজিলত বা রজব মাসের নির্দিষ্ট কোন দিনের রোজার ফজিলত বা রজবের নির্দিষ্ট কোন রাতে সালাতের ফজিলত সম্পর্কে বিশুদ্ধ কোন হাদিস নেই, যা প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করানো যায়। হাফেজে হাদিস আবু ইসমাইল আল-হিরাবি আমার পূর্বেই এ ব্যাপারে অনুরূপ মত খুব দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যক্ত করেছেন, ইতিপূর্বে বিশুদ্ধ সূত্রে যার বর্ণনা আমরা দিয়েছি।

Read more: রজব সংক্রান্ত প্রচলিত হাদিস

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর মুনাজাত সংক্রান্ত একটি ফতওয়া ও তার জবাব



প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
:

"আমি তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছি আল্লাহকে ভয় করার, শোনা ও মান্য করার, যদিও তোমাদের আমীর হয় কোনো হাবশি দাস কারণ তোমাদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকবে নানা মতবিরোধ দেখতে পাবে তখন তোমাদের করণীয় হবে, আমার সুন্নত এবং হেদায়েত প্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনদের সুন্নতকে নিজেদের উপর অপরিহার্য করে নেওয়া সেসব সুন্নতকে মুজবুতভাবে, চোয়ালের দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরার ন্যায় আঁকড়ে ধরবে দ্বীনের মধ্যে নতুন কোনো আমল সংযোজনের ব্যাপারে খুবই সাবধান থাকবে; নিশ্চয়ই সমস্ত নতুন আমলই বিদআত এবং সমস্ত বিদআতই গোমরাহী এবং সমস্ত গোমরাহি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে)"। (আবু দাউদ এবং অন্যান্য, ছহীহ)



ফরয সালাতের পর ইমামের নেতৃত্বে মুক্তাদীগণের সম্মিলিতভাবে দু
হাত তুলে মুনাজাত
অর্থাৎ দু
আ করার স্বপক্ষে জনৈক মুসল্লি মাদরাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার মুহাদ্দিস ও মুফতী মুহাম্মদ আশরাফ আলী সাহেব ও মুফতী মাওলানা, এ বি এম সাদেক উল্লাহ (মুফতী দারুল ইফতা, মাদরাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা) এর নিকট হতে একটি ফতওয়া সংগ্রহ করেন। আমরা নিম্নে উল্লেখিত ফতওয়া হুবুহু তুলে ধরেছি। অতঃপর উক্ত ফতওয়ার ভুল ত্রুটি উল্লেখপূর্বক বিশুদ্ধ হাদীসসমূহের আলোকে তার জবাব পেশ করছি।

(লেখাটির বাকি অংশ ছবি আকারে সংযুক্ত আছে, অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ পাতটি লোড হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি )

Read more: পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর মুনাজাত সংক্রান্ত একটি ফতওয়া ও তার জবাব

বিদআতী এবং শিরকী অসীলাহ



ইতিপূর্বে আমরা <প্রথম পর্বে> শরীয়ত সম্মত অসীলাহ, তার প্রকারভেদ, ও দলীল সম্পর্কে অবহিত হয়েছি, এবারে আমরা অন্যান্য অসীলাহ সম্পর্কে অবহিত হবো যেমন কোন ব্যক্তির অধিকারের অথবা কোন ব্যক্তির মর্যাদার অসীলাহ গ্রহণ বিদআতী অসীলাহ বৈ কিছু হতে পারেনা যার সম্পর্কে আল্লাহর কিতাব ও নবীর সুন্নাহ থেকে কোন নির্দেশ নেই। এমনকি কোন সাহাবা ও তাবেঈগণ এরূপ করেছেন বলে জানাও যায়নি। এসবই (দৃষ্টান্ত ও অবস্থা) যথেষ্ট নব আবিষ্কৃত অসীলাহ বাতিল প্রমাণিত হওয়ার ব্যাপারে। আর এ কারণেই অনেক গবেষক ইমাম ঐ ধরনের অসীলাহকে অস্বীকার করেছেন। এ বিয়ে মতানৈক্য পোষণকারীর কথার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না। কারণ তা দ্বীনের ভিতর নব আবিষ্কৃত ও বিদআত থেকে নিষিদ্ধতা জ্ঞাপক সুন্নাহ ও কুরআনের স্পষ্ট দলীলসমূহের সাথে সংঘর্ষশীল।



অসীলাহ বিষয়ে কিছু সংশয় ও তার নিরসন

ব্যক্তিসত্ত্বা ও মর্যাদার অসীলাহ ধারণ বৈধ জ্ঞানকারীগণ কিছু দলীল প্রমাণের আশ্রয় নিয়ে থাকেন যার অবস্থা দ্বিবিধ।
হয় দলীলগুলি সহীহ্ শুদ্ধ কিন্তু তারা এর অর্থ বিকৃত করে এবং এমন অর্থে ব্যবহার করে যার সম্ভাবনা রাখে না
তথা অপ্রাসঙ্গিককিংবা দলীলগুলো দুর্বল ও বানোয়াট যার প্রতি নির্ভর করা যায় না।

এ দুটি বিষয়ের উপর সংক্ষিপ্তভাবে কিছু আলোকপাত করা হয়েছে

Read more: বিদআতী এবং শিরকী অসীলাহ